
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা যাবে না তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরীকে। ফিফার নির্ধারিত উইন্ডো শুরু হওয়ার আগে ক্লাব তাঁকে ছাড়তে রাজি নয়। ফলে ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে তাঁর খেলার সম্ভাবনা নেই।
জাতীয় দলের কোচ থমাস ঢুলি বিষয়টি বাস্তবতা হিসেবেই মেনে নিয়েছেন। বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই কোচ জানেন, ফিফা উইন্ডোর বাইরে জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় ছাড়তে ক্লাবগুলো বাধ্য নয়। তাঁর আশা, হামজা ৯ নভেম্বরের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই তাঁর ঢাকায় পৌঁছে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় প্রবাসী অন্য ফুটবলাররাও জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন।
এদিকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে খেলোয়াড়দের যোগ দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলারদের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। সাফের জন্য জাতীয় দলের ম্যানেজারের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না করায় ক্লাবটির পক্ষ থেকে খেলোয়াড় ছাড়ার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমিরুল ইসলাম বাবু বসুন্ধরা কিংসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁরা ফোন ধরেননি বলে জানা গেছে। পরে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের উদ্যোগে ক্লাবটি খেলোয়াড়দের ছাড়ে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত সোহেল রানা ক্যাম্পে যোগ দেননি বলে ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়।
খেলোয়াড় ছাড়ার বিষয়ে বাফুফে সময়মতো ক্লাবগুলোকে চিঠি দেয়নি বলেও অভিযোগ করেছে একাধিক ক্লাব। অন্যদিকে কোচ থমাস ঢুলি জানিয়েছেন, তিনি অনেক আগেই খেলোয়াড়দের তালিকা বাফুফেকে দিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য, জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি কখনোই সব খেলোয়াড়কে একসঙ্গে ক্যাম্পে পাননি।